জুলাই ভিকটিমস অ্যাসোসিয়েশনজুলাই ভিকটিমস অ্যাসোসিয়েশন

যোদ্ধার প্রোফাইল

মোঃ হান্নান

মোঃ হান্নান

ক্যাটাগরি
ক্যাটাগরি-সি
নাম
মোঃ হান্নান
বয়স
25 বছর
পেশা
ছাত্র/ব্যবসা
এমআইএস নাম্বার
3350
গ্যাজেট নাম্বার
80
নিজ জেলা
পটুয়াখালী
ঘটনাস্থল
উত্তরা, ঢাকা।

যোদ্ধার গল্প

স্বপ্নের চায়ের কাপ থেকে বিপ্লবের রাজপথে: এক জুলাইযোদ্ধার আত্মকথা

স্মৃতিকথক: জুলাইযোদ্ধা মোঃ হান্নান

১. জীবনের সংগ্রাম, পরিবারের দায়িত্ব ও বুকের ভেতর জমে থাকা স্বপ্ন

 আমার জীবনটা আর দশজন সাধারণ শিক্ষার্থীর মতো ছিল না। বই-খাতা, পড়াশোনা আর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নের পাশাপাশি প্রতিদিন আমাকে ভাবতে হতো পরিবারের কথা, সংসারের খরচ আর নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম নিয়ে। আমি পেশায় একজন ছাত্র। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করি। সেই দোকান থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি এবং নিজের পড়াশোনার খরচও চালিয়ে যাই।

 

সকালে বই-খাতা নিয়ে পড়তে বসা, আবার কখনো চায়ের কাপ হাতে ক্রেতাদের সামনে দাঁড়ানো—এটাই ছিল আমার প্রতিদিনের জীবন। আমার কাছে চায়ের দোকানটি শুধু জীবিকা নির্বাহের একটি মাধ্যম ছিল না; এটি ছিল পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর ছোট্ট একটি অবলম্বন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমার স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াব, পরিবারের দুঃখ-কষ্ট দূর করব এবং সমাজের জন্য কিছু করব।

 

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন উত্তাল হয়ে উঠতে শুরু করল, তখন আমার সেই পরিচিত জীবনেও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দেশের শিক্ষার্থীরা যখন বৈষম্য, অন্যায় ও অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে শুরু করল, তখন আমিও গভীরভাবে ভাবতে লাগলাম—এই দেশ কি শুধু কিছু মানুষের জন্য? একজন সাধারণ শিক্ষার্থী, একজন পরিশ্রমী তরুণ কিংবা আমার মতো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া একজন মানুষের কি ন্যায্য অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার নেই?

 

আমার কাছে তখন স্পষ্ট হয়ে উঠছিল, নিজের পরিবারের জন্য সংগ্রাম করা যেমন দায়িত্ব, তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোও একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

 

২. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: নিজের ভবিষ্যতের সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ

 

জুলাই মাসের দিনগুলো যত এগোতে লাগল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ততই ছড়িয়ে পড়তে লাগল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নিতে থাকল।

 

আমি একদিকে পড়াশোনা ও চায়ের দোকানের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলাম, অন্যদিকে দেশের পরিস্থিতির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছিলাম। রাজপথে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার এবং প্রাণহানির খবর আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করত। বিশেষ করে ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, তা আমার মনেও গভীর রেখাপাত করে।

 

একজন শিক্ষার্থী কীভাবে বুক পেতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেন, কীভাবে নিজের জীবনের চেয়েও ন্যায়ের প্রশ্নকে বড় করে দেখতে পারেন—আবু সাঈদের আত্মত্যাগ আমাকে সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল।

 

আমি ভাবতাম, যে বয়সে একজন তরুণের স্বপ্ন দেখার কথা, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার কথা, সেই বয়সেই যদি তাকে অধিকার আদায়ের জন্য প্রাণ দিতে হয়, তবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কোথাও নিশ্চয়ই বড় ধরনের অন্যায় রয়েছে।

 

আমি জানতাম, আমার পরিবারের দায়িত্ব আছে। আমার একটি ছোট চায়ের দোকান আছে, আমার পড়াশোনা আছে, আমার সামনে একটি ভবিষ্যৎ আছে। কিন্তু দেশের অন্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে, তখন শুধু নিজের জীবন নিয়ে ভাবা কি যথেষ্ট?

 

এই প্রশ্নগুলো আমাকে ভেতর থেকে তাড়িত করতে লাগল। আমি উপলব্ধি করলাম, আমার মতো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত কণ্ঠই পারে বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে।

 

৩. চায়ের দোকানের পরিচয় পেরিয়ে রাজপথের আহ্বান

 

একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করতে গিয়ে আমি মানুষের জীবনের নানা বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছি। কেউ কাজের ফাঁকে এক কাপ চা খেতে আসেন, কেউ সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে একটু বসেন, কেউ পরিবারের অভাব-অনটনের কথা বলেন। এসব মানুষের মুখের দিকে তাকালে আমি বুঝতে পারতাম, দেশের সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সংগ্রামের।

 

আমার নিজের জীবনও সেই সংগ্রামেরই একটি অংশ। তাই দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন আমার কাছে কখনোই দূরের কোনো বিষয় ছিল না।

 

আন্দোলন যখন তীব্র হতে শুরু করল, তখন আমার ভেতরে একটি দৃঢ় বিশ্বাস জন্ম নিল—আমি শুধু একজন দোকানদার নই, শুধু একজন শিক্ষার্থীও নই; আমি এই দেশের একজন নাগরিক। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের প্রশ্নে আমারও একটি অবস্থান রয়েছে।

 

চায়ের দোকানের ব্যস্ততা, পরিবারের দায়িত্ব আর পড়াশোনার চাপের মধ্যেও আন্দোলনের খবর আমাকে ভাবিয়ে তুলত। আমার মনে হতো, আজ যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা না বলি, তবে আগামী প্রজন্মের কাছে কী জবাব দেব?

 

আমি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলাম, যেখানে একজন শিক্ষার্থীকে তার ন্যায্য অধিকার আদায় করতে গিয়ে প্রাণ দিতে হবে না; যেখানে একজন সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে নিপীড়নের শিকার হবেন না; যেখানে পরিশ্রম করে বেঁচে থাকা মানুষও সম্মানের সঙ্গে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।

 

এই আকাঙ্ক্ষাই আমাকে জুলাইয়ের আন্দোলনের সঙ্গে মানসিকভাবে আরও গভীরভাবে যুক্ত করে।

 

৪. উত্তাল জুলাই থেকে এক দফার আন্দোলন

 

জুলাইয়ের শেষভাগে আন্দোলনের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহির বৃহত্তর প্রশ্ন। দেশজুড়ে মানুষের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ ক্রমেই বিস্তৃত হতে থাকে।

 

একদিকে আমার ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, অন্যদিকে দেশের সংকট—দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমি বুঝতে পারছিলাম, এই আন্দোলন আর কেবল একটি নির্দিষ্ট দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই। এটি হয়ে উঠেছে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

 

৩ আগস্ট এক দফা দাবির ঘোষণা এবং ৪ আগস্টের অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নেয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে আসে। আন্দোলনের প্রতিটি খবর মানুষের মনে নতুন প্রশ্ন, নতুন প্রত্যাশা এবং নতুন সাহস তৈরি করছিল।

 

আমার মতো সাধারণ পরিবারের সন্তানদের কাছে দেশের ভবিষ্যৎ মানে শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়। এর অর্থ ছিল এমন একটি সমাজ, যেখানে যোগ্যতার মূল্য থাকবে, বৈষম্য কমবে, মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার থাকবে এবং কোনো পরিবারকে তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকতে হবে না।

 

আমি বিশ্বাস করতাম, যে দেশের তরুণেরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন, সেই দেশের ভবিষ্যৎকে দীর্ঘদিন অন্যায়ের শৃঙ্খলে আটকে রাখা যায় না।

 

৫. আত্মত্যাগের মূল্য ও ব্যক্তিগত জীবনের বাস্তবতা

 

একজন ছাত্র হিসেবে আমার সামনে তখনও অনেক স্বপ্ন ছিল। লেখাপড়া শেষ করে ভালো কিছু করার স্বপ্ন, পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করার স্বপ্ন, ছোট চায়ের দোকানটির চেয়ে আরও ভালোভাবে জীবিকা নির্বাহের স্বপ্ন। আমার পরিবারও নিশ্চয়ই চাইত, আমি নিরাপদে থাকি, পড়াশোনা করি এবং একদিন নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলি।

 

কিন্তু জুলাইয়ের আন্দোলন আমাকে শিখিয়েছে, ব্যক্তিগত স্বপ্ন আর দেশের মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন সব সময় আলাদা থাকে না। একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা না থাকলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত অর্জনও নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

 

আমার মতো একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর কাছে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অর্থ ছিল নিজের অধিকার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হওয়া। এর অর্থ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান প্রকাশ করা এবং এমন একটি বাংলাদেশের প্রত্যাশা করা, যেখানে মানুষের জীবন, সম্মান ও অধিকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।

 

জুলাইয়ের দিনগুলো আমাদের সামনে এমন অনেক মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি রেখে গেছে, যাঁরা দেশের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন কিংবা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। তাঁদের ত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্বাধীনতা ও অধিকার কেবল উচ্চারণ করার বিষয় নয়; এগুলো রক্ষা করার জন্য সম্মিলিত দায়িত্বও রয়েছে।

 

৬. জুলাইয়ের স্মৃতি, আগামীর বাংলাদেশ

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। দীর্ঘ আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং দেশ এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়।

 

এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মানুষের মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল—দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হবে, বৈষম্য কমবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে।

 

আমার মতো একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর কাছে জুলাইয়ের শিক্ষা অত্যন্ত গভীর। আমি জানি, একটি দেশের পরিবর্তন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ হয় না। প্রকৃত পরিবর্তন তখনই আসে, যখন মানুষের জীবন বদলায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, দুর্নীতি ও বৈষম্য কমে এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার সুযোগ পায়।

 

আমি চাই, আমার চায়ের দোকানের মতো ছোট ছোট জীবিকার জায়গাগুলো একদিন আরও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠুক। কোনো শিক্ষার্থীকে যেন পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য পড়াশোনা ছেড়ে দিতে না হয়। কোনো তরুণকে যেন ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য প্রাণের ঝুঁকি নিতে না হয়। কোনো পরিবারকে যেন রাজনৈতিক সহিংসতায় তার প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা বহন করতে না হয়।

 

জুলাইয়ের স্মৃতি আমাদের কাছে কেবল অতীতের একটি অধ্যায় নয়; এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি দায়বদ্ধতা। এই ইতিহাসকে সংরক্ষণ করা, শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান করা এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সম্মিলিত কর্তব্য।

 

আমি মোঃ হান্নান—একজন সাধারণ শিক্ষার্থী, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ছোট একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করা একজন তরুণ। আমার পরিচয় হয়তো খুব সাধারণ, কিন্তু আমার স্বপ্ন সাধারণ নয়। আমি এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে মানুষ তার যোগ্যতা, শ্রম ও সততার ভিত্তিতে সামনে এগিয়ে যাবে; যেখানে অন্যায়ের পরিবর্তে ন্যায়, বৈষম্যের পরিবর্তে সমতা এবং ভয়ের পরিবর্তে মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।

 

জুলাই আমাদের শিখিয়েছে, পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা পেশার মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একজন শিক্ষার্থী, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কিংবা একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ—প্রত্যেকেরই রয়েছে একটি সুন্দর দেশের স্বপ্ন দেখার অধিকার।

 

আমার বিশ্বাস, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে নিজেদের দায়িত্ব পালন করব।

 

জুলাইযোদ্ধার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 

নাম: মোঃ হান্নান

 

পেশা: শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র চায়ের দোকান ব্যবসায়ী।

 

জীবনসংগ্রাম: পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহায়তায় চায়ের দোকান পরিচালনা।

 

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা: বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।

ছবি

মোঃ হান্নান
মোঃ হান্নান
মোঃ হান্নান